2 Kings 9

1 কয়েক জন তরুণ ভাব্বাদীকে ডেকে ইলীশায় বললেন, “তাড়াতাড়ি তৈরী হয়ে নাও এবং এই ছোট তেলের শিশিটা নিয়ে রামোত্‌-গিলিয়দে যাও|

2 সেখানে গিয়ে নিম্শির পৌত্র যিহোশাফটের পুত্র য়েহূকে ওর ভাইদের মধ্যে থেকে তুলে তাকে ভেতরের ঘরে নিয়ে যাবে|

3 তারপর এই ছোট তেলের শিশিটা ওর মাথায় উপুড় করে দিয়ে বলবে, ‘প্রভু বলেছেন, আমি ইস্রায়েলের নতুন রাজা হিসেবে তোমায় অভিষেক করলাম|’ একথা বলেই দরজা খুলে দৌড়ে চলে আসবে| আর অপেক্ষা করবে না!”

4 তখন এই তরুণ ভাব্বাদী রামোত্‌-গিলিয়দে গেল|

5 সেখানে সেনাবাহিনীর সমস্ত সেনাপতিরা বসে আছেন| তরুণ ভাব্বাদীটি বলল, “সেনাপতিমশাই আপনার জন্য খবর আছে|”য়েহূ বললেন, “আরে আমরা তো এখানে সবাই সেনাপতি! তুমি কার জন্য খবর এনেছো?”ভাব্বাদী বলল, “আপনারই জন্য!”

6 তখন য়েহূ উঠে বাড়ির ভেতরে গেলেন| তরুণ ভাব্বাদীটি সঙ্গে সঙ্গে য়েহূর মাথায় তেল ঢেলে দিয়ে বলল, “প্রভু ইস্রায়েলের ঈশ্বর বলেছেন, ‘আমি তোমাকে আমার ইস্রায়েলের সেবকদের নতুন রাজা হিসেবে অভিষেক করলাম|

7 তুমি তোমার রাজা আহাবের পরিবারকে ধ্বংস করবে| আমার ভৃত্যদের, ভাব্বাদীদের এবং প্রভুর সমস্ত সেবকদের হত্যা করবার জন্য আমি এই ভাবে ঈষেবলকে শাস্তি দেব|

8 আহাবের বংশের সকলকে মরতে হবে| ওর বংশের কোন পুরুষ শিশুকেও আমি জীবিত থাকতে দেব না|

9 ওর পরিবারের দশা আমি নবাটের পুত্র যারবিয়াম এবং অহিযের পুত্র বাশার পরিবারের মতো করব|

10 ঈষেবলকে কবরে সমাধিস্থ করা হবে না| য়িষ্রিযেলের রাস্তার কুকুর ওর দেহ ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে|”একথা বলবার পর, তরুণ ভাব্বাদীটি দরজা খুলে দৌড়ে পালিয়ে গেল|

11 য়েহূ আবার রাজকর্মচারীদের মধ্যে ফিরে গেলে এক জন জিজ্ঞেস করলেন, “কি হে সব কিছু ঠিক আছে তো? ক্ষ্যাপাটা তোমার কাছে কেন এসেছিল?”য়েহূ ওঁর অধীনস্থদের বললেন, “লোকটা য়ে কি সব পাগলের প্রলাপ বকে গেল!”

12 সেনাপতিরা সকলে বললেন, “ও সব বললে হবে না| ও কি বলে গেল আমাদের সত্যি সত্যি বলতে হবে|” য়েহূ তখন তাঁদের তরুণ ভাব্বাদী কি বলেছে জানালেন, “ও বলল প্রভু বলেছেন, ‘আমি তোমায় ইস্রায়েলের নতুন রাজা হিসেবে অভিষেক করলাম|”‘

13 তখন সেখানে উপস্থিত প্রত্যেকটি সেনাপতি তাঁদের পোশাক খুলে য়েহূর পাযের নীচে রাখলেন| তারপর তারা শিঙা বাজিযে চিত্কার করে উঠলেন, “য়েহূ হলেন রাজা!”

14 অতঃপর নিম্শির পৌত্র ও যিহোশাফটের পুত্র য়েহূ য়োরামের বিরুদ্ধে চএান্ত করলেন|সে সময় য়োরাম ও ইস্রায়েলীয়রা অরামের রাজা হসায়েলের হাত থেকে রামোত্‌-গিলিয়দ রক্ষা করতে চেষ্টা করছিলেন|

15 রাজা য়োরাম অরামের রাজা হসায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সময় অরামীয় সেনাবাহিনীর হাতে আহত হয়েছিলেন| তিনি (এ সময়) তাঁর ক্ষতস্থানের শুশ্রূষার জন্য য়িষ্রিযেলে ছিলেন|য়েহূ উপস্থিত রাজকর্মচারীদের সবাইকে বললেন, “তোমরা যদি সত্যি সত্যিই নতুন রাজা হিসেবে আমাকে মেনে নিয়ে থাকো, তাহলে খেযাল রেখো কেউ য়েন শহর থেকে পালিয়ে য়িষ্রিযেলে গিয়ে এ খবর দিতে না পারে|”

16 য়োরাম তখন য়িষ্রিযেলে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন| য়েহূ তাঁর রথে চড়ে য়িষ্রিযেলে গেলেন| যিহূদার রাজা অহসিয়ও সে সময় য়োরামকে দেখতে য়িষ্রিযেলে এসেছিলেন|

17 জনৈক প্রহরী তখন য়িষ্রিযেলের প্রহরা দেবার উচ্চ কক্ষে দাঁড়িয়েছিল| সদলবলে য়েহূকে আসতে দেখে ও চেঁচিয়ে বলল, “আমি এক দল লোক দেখতে পাচ্ছি!”য়োরাম বললেন, “এক জন ঘোড়সওযারকে ওদের সঙ্গে দেখা করতে পাঠাও| ওরা কিসের জন্য আসছে খোঁজ নিক|”

18 তখন ঘোড়সওযার এক জন বার্তাবাহক সেখানে গিয়ে য়েহূকে বলল, “রাজা এই কথা বললেন, ‘আপনি কি শান্তিতে এসেছেন?”‘য়েহূ বললেন, “শান্তি নিয়ে তোমার অতো মাথাব্যথা কিসের হে? আমাকে অনুসরণ করো|”প্রহরী য়োরামকে বললো, “ঘোড়া নিয়ে একজন খোঁজ নিতে গিয়েছে, কিন্তু এখনও ফেরে নি|”

19 য়োরাম তখন এক জনকে অশ্বারোহণে পাঠালেন| সে এসে বলল, “রাজা য়োরাম ‘শান্তি বজায় রাখতে চান|”‘য়েহূ উত্তর দিলেন, “শান্তি নিয়ে তোমার এতো মাথাব্যথা কিসের হে? আমাকে অনুসরণ করো|”

20 প্রহরী য়োরামকে খবর দিল, “পরের ঘোড়সওযারও এখনো ফিরে আসে নি| এদিকে নিম্শির পুত্র য়েহূর মত কে য়েন একটা পাগলের মত রথ চালিযে আসছে|”

21 য়োরাম বললেন, “আমার রথ নিয়ে এস|”তখন সেই ভৃত্য গিয়ে য়োরামের রথ নিয়ে এলে, ইস্রায়েলের রাজা য়োরাম ও যিহূদার রাজা অহসিয়, য়ে যার রথে চড়ে য়েহূর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন| তাঁরা য়িষ্রিযেলের নাবোতের সম্পত্তির কাছে য়েহূর দেখা পেলেন|

22 য়োরাম য়েহূকে দেখতে পেয়ে বললেন, “তুমি বন্ধুর মতো এসেছো য়েহূ?”য়েহূ উত্তর দিলেন, “যতদিন তোমার মা ঈষেবল বেশ্যাবৃত্তি ও ডাইনিগিরি চালিযে যাবে ততদিন বন্ধুত্বের কোনো প্রশ্নই ওঠে না|”

23 পালানোর জন্য ঘোড়ার মুখ ঘোরাতে ঘোরাতে য়োরাম অহসিয়কে বললেন, “এ সমস্ত চএান্ত!”

24 কিন্তু ততক্ষণে য়েহূর সজোরে নিক্ষিপ্ত জ্য়ামুক্ত তীর গিয়ে য়োরামের পিঠে বিদ্ধ হয়েছে| এই তীর য়োরামের পিঠ ফুঁড়ে হৃত্‌পিণ্ডে গিয়ে ঢুকলো, রথের মধ্যেই য়োরামের মৃতদেহ লুটিযে পড়ল|

25 য়েহূ তাঁর রথের সারথি বিদ্করকে বললেন, “য়োরামের দেহ তুলে নাও এবং য়িষ্রিযেলের নাবোতের জমিতে ছুঁড়ে ফেলে দাও| মনে আছে, যখন তুমি আর আমি এক সঙ্গে য়োরামের পিতা আহাবের সঙ্গে ঘোড়ায় চড়ে আসছিলাম, প্রভু ভবিষ্যত্‌বাণী করেছিলেন,

26 ‘গতকাল আমি নাবোত আর ওর ছেলেদের রক্ত দেখেছি, তাই এই মাঠেই আমি আহাবকে শাস্তি দেব|’ প্রভুই একথা বলেছিলেন, অতএব যাও গিয়ে তাঁর ইচ্ছানুযাযী য়োরামের দেহ মাটিতে ছুঁড়ে ফেলে দাও|”

27 এসব কাণ্ড-কারখানা দেখে যিহূদার পিতা অহসিয় বাগানবাড়ির মধ্যে দিয়ে পালানোর চেষ্টা করতে য়েহূ তাঁর পিছু পিছু ধাওযা করতে করতে বললেন, “এটাকেও শেষ করে দিই!”রথে করে য়িব্লিযমের কাছাকাছি গূরে আসতে আসতে অহসিয়ও আহত হলেন এবং মগিদ্দোতে পালিয়ে এলেও সেখানেই তাঁর মৃত্যু হল|

28 অহসিয়র ভৃত্যরা রথে করে তাঁর মৃতদেহ জেরুশালেমে নিয়ে গিয়ে সেখানে দায়ূদ নগরীতে তাঁর পূর্বপুরুষদের সমাধিস্থলে তাঁকে কবর দিল|

29 য়োরামের ইস্রায়েলে রাজত্ব কালের একাদশ বছরে অহসিয় যিহূদার রাজা হয়েছিলেন|

30 য়েহূ য়িষ্রিযেলে পৌঁছতে ঈষেবল সে খবর পেল| সে সেজেগুজে চুল বেঁধে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিযে দেখল,

31 য়েহূ শহরে ঢুকছে| ঈষেবল চেঁচিয়ে বলল, “কি হে সিম্রি! তুমিও একই ভাবে মনিব খুন করলে!”

32 য়েহূ ওপরে জানালার দিকে তাকিযে হাঁক দিলেন, “কে আমার পক্ষে আছো? কে?”দু-তিনজন নপুংসক প্রহরী জানালা দিয়ে মুখ বাড়াতেই

33 য়েহূ তাদের হুকুম দিলেন, “ওকে নীচে ফেলে দাও!”তখন নপুংসক প্রহরীরা ঈষেবলকে নীচে ছুঁড়ে ফেলে দিল| ঈষেবলের রক্তের ছিটে দেওয়ালে আর ঘোড়াদের গায়ে লাগল| ঘোড়ারা ঈষেবলের দেহ মাড়িয়ে চলে গেল|

34 য়েহূ বাড়ির ভেতরে গিয়ে পানাহার করে বললেন, “এই শাপগ্রস্তাকে এবার কবর দেবার ব্যবস্থা কর্ব হাজার হলেও রাজকন্যা তো বটে|”

35 ভৃত্যরা ঈষেবলকে কবর দিতে গিয়ে দেহের কোন হদিস পেল না| তারা কেবল ঈষেবলের মাথার খুলি, পাযের পাতা আর হাতের তালু খুঁজে পেল|

36 তারা ফিরে এসে য়েহূকে এ খবর দিতে য়েহূ বললেন, “প্রভু আগেই তাঁর দাস তিশ্বীর এলিয়কে জানিয়েছিলেন, ‘য়িষ্রিযেলের অধিকারভুক্ত অঞ্চলে কুকুররা ঈষেবলের দেহ খেযে নেবে|

37 একতাল গোবরের মত ঈষেবলের দেহ য়িষ্রিযেলের পথে পড়ে থাকবে, লোকরা দেখে চিনতেও পারবে না|”‘

1 And Elisha the prophet called one of the children of the prophets, and said unto him, Gird up thy loins, and take this box of oil in thine hand, and go to Ramoth-gilead:

2 And when thou comest thither, look out there Jehu the son of Jehoshaphat the son of Nimshi, and go in, and make him arise up from among his brethren, and carry him to an inner chamber;

3 Then take the box of oil, and pour it on his head, and say, Thus saith the Lord, I have anointed thee king over Israel. Then open the door, and flee, and tarry not.

4 So the young man, even the young man the prophet, went to Ramoth-gilead.

5 And when he came, behold, the captains of the host were sitting; and he said, I have an errand to thee, O captain. And Jehu said, Unto which of all us? And he said, To thee, O captain.

6 And he arose, and went into the house; and he poured the oil on his head, and said unto him, Thus saith the Lord God of Israel, I have anointed thee king over the people of the Lord, even over Israel.

7 And thou shalt smite the house of Ahab thy master, that I may avenge the blood of my servants the prophets, and the blood of all the servants of the Lord, at the hand of Jezebel.

8 For the whole house of Ahab shall perish: and I will cut off from Ahab him that pisseth against the wall, and him that is shut up and left in Israel:

9 And I will make the house of Ahab like the house of Jeroboam the son of Nebat, and like the house of Baasha the son of Ahijah:

10 And the dogs shall eat Jezebel in the portion of Jezreel, and there shall be none to bury her. And he opened the door, and fled.

11 Then Jehu came forth to the servants of his lord: and one said unto him, Is all well? wherefore came this mad fellow to thee? And he said unto them, Ye know the man, and his communication.

12 And they said, It is false; tell us now. And he said, Thus and thus spake he to me, saying, Thus saith the Lord, I have anointed thee king over Israel.

13 Then they hasted, and took every man his garment, and put it under him on the top of the stairs, and blew with trumpets, saying, Jehu is king.

14 So Jehu the son of Jehoshaphat the son of Nimshi conspired against Joram. (Now Joram had kept Ramoth-gilead, he and all Israel, because of Hazael king of Syria.

15 But king Joram was returned to be healed in Jezreel of the wounds which the Syrians had given him, when he fought with Hazael king of Syria.) And Jehu said, If it be your minds, then let none go forth nor escape out of the city to go to tell it in Jezreel.

16 So Jehu rode in a chariot, and went to Jezreel; for Joram lay there. And Ahaziah king of Judah was come down to see Joram.

17 And there stood a watchman on the tower in Jezreel, and he spied the company of Jehu as he came, and said, I see a company. And Joram said, Take an horseman, and send to meet them, and let him say, Is it peace?

18 So there went one on horseback to meet him, and said, Thus saith the king, Is it peace? And Jehu said, What hast thou to do with peace? turn thee behind me. And the watchman told, saying, The messenger came to them, but he cometh not again.

19 Then he sent out a second on horseback, which came to them, and said, Thus saith the king, Is it peace? And Jehu answered, What hast thou to do with peace? turn thee behind me.

20 And the watchman told, saying, He came even unto them, and cometh not again: and the driving is like the driving of Jehu the son of Nimshi; for he driveth furiously.

21 And Joram said, Make ready. And his chariot was made ready. And Joram king of Israel and Ahaziah king of Judah went out, each in his chariot, and they went out against Jehu, and met him in the portion of Naboth the Jezreelite.

22 And it came to pass, when Joram saw Jehu, that he said, Is it peace, Jehu? And he answered, What peace, so long as the whoredoms of thy mother Jezebel and her witchcrafts are so many?

23 And Joram turned his hands, and fled, and said to Ahaziah, There is treachery, O Ahaziah.

24 And Jehu drew a bow with his full strength, and smote Jehoram between his arms, and the arrow went out at his heart, and he sunk down in his chariot.

25 Then said Jehu to Bidkar his captain, Take up, and cast him in the portion of the field of Naboth the Jezreelite: for remember how that, when I and thou rode together after Ahab his father, the Lord laid this burden upon him;

26 Surely I have seen yesterday the blood of Naboth, and the blood of his sons, saith the Lord; and I will requite thee in this plat, saith the Lord. Now therefore take and cast him into the plat of ground, according to the word of the Lord.

27 But when Ahaziah the king of Judah saw this, he fled by the way of the garden house. And Jehu followed after him, and said, Smite him also in the chariot. And they did so at the going up to Gur, which is by Ibleam. And he fled to Megiddo, and died there.

28 And his servants carried him in a chariot to Jerusalem, and buried him in his sepulchre with his fathers in the city of David.

29 And in the eleventh year of Joram the son of Ahab began Ahaziah to reign over Judah.

30 And when Jehu was come to Jezreel, Jezebel heard of it; and she painted her face, and tired her head, and looked out at a window.

31 And as Jehu entered in at the gate, she said, Had Zimri peace, who slew his master?

32 And he lifted up his face to the window, and said, Who is on my side? who? And there looked out to him two or three eunuchs.

33 And he said, Throw her down. So they threw her down: and some of her blood was sprinkled on the wall, and on the horses: and he trode her under foot.

34 And when he was come in, he did eat and drink, and said, Go, see now this cursed woman, and bury her: for she is a king’s daughter.

35 And they went to bury her: but they found no more of her than the skull, and the feet, and the palms of her hands.

36 Wherefore they came again, and told him. And he said, This is the word of the Lord, which he spake by his servant Elijah the Tishbite, saying, In the portion of Jezreel shall dogs eat the flesh of Jezebel:

37 And the carcase of Jezebel shall be as dung upon the face of the field in the portion of Jezreel; so that they shall not say, This is Jezebel.

Job 14 in Tamil and English

1 ইয়োব বললেন, “আমরা প্রত্যেকেই মানুষ| আমাদের জীবন ক্ষণস্থায়ী এবং সমস্যায় পূর্ণ|
Man that is born of a woman is of few days, and full of trouble.

2 মানুষের জীবন ফুলের মত| সে তাড়াতাড়ি বড় হয় এবং তারপর মারা যায়| মানুষের জীবন একটা ছায়ার মত যা অল্পক্ষণের জন্য এখানে থাকে এবং তারপর আবার চলে যায়|
He cometh forth like a flower, and is cut down: he fleeth also as a shadow, and continueth not.

3 কিন্তু যদিও আমি নেহাতই একটি মানুষ মাত্র, আপনি আমার ওপর মনোয়োগ দেন এবং আমাকে আদালতে নিয়ে যান|
And dost thou open thine eyes upon such an one, and bringest me into judgment with thee?

4 “কিন্তু অশুচি কিছু থেকে কেই বা শুচি কিছু তৈরী করতে পারে? কেউই নয়!
Who can bring a clean thing out of an unclean? not one.

5 মানুষের জীবন সীমিত| ঈশ্বর, আপনিই স্থির করেছেন মানুষ কতদিন বাঁচবে| আপনিই মানুষের জন্য সেই সীমা নির্ধারণ করেন এবং কোন কিছুই আর তাকে পরিবর্তন করতে পারে না|
Seeing his days are determined, the number of his months are with thee, thou hast appointed his bounds that he cannot pass;

6 তাই ঈশ্বর, আমাদের প্রতি লক্ষ্য রাখা বন্ধ করুন| আমাদের একা ছেড়ে দিন| আমাদের সময় শেষ হওয়া পর্য়ন্ত আমাদের কঠিন জীবন আমাদের উপভোগ করতে দিন|
Turn from him, that he may rest, till he shall accomplish, as an hireling, his day.

7 “এমনকি একটা গাছেরও আশা আছে| যদি না তাকে কেটে ফেলা হয় তা আবার বড় হতে পারে| তা আবার নতুন অঙ্কুর ছড়িয়ে দিতে পারে|
For there is hope of a tree, if it be cut down, that it will sprout again, and that the tender branch thereof will not cease.

8 এর শিকড় মাটির নীচে বুড়ো হয়ে য়েতে পারে, এর কাণ্ড ধূলায মরে য়েতে পারে,
Though the root thereof wax old in the earth, and the stock thereof die in the ground;

9 কিন্তু যদি সামান্য একটুও জল পায় আবার তা বাড়তে শুরু করে| নতুন গাছের মতই তা আবার বড় হতে থাকে|
Yet through the scent of water it will bud, and bring forth boughs like a plant.

10 কিন্তু যখন এক জন শক্তসমর্থ মানুষ মরে, সে শেষ হয়ে যায়| যখন মানুষ মরে যায়, সে চলে যায় ঠিক
But man dieth, and wasteth away: yea, man giveth up the ghost, and where is he?

11 দীঘি য়েমন শুকিয়ে যায় অথবা নদী য়েমন শুকিয়ে যায় তার মতন|
As the waters fail from the sea, and the flood decayeth and drieth up:

12 যখন এক জন মানুষ মরে যায়, সে শুয়ে পড়ে এবং সে আর ওঠে না| এক জন মৃত লোক উঠে দাঁড়াবার আগে এই আকাশমণ্ডল অদৃশ্য হয়ে যাবে| না| সেই নিদ্রা থেকে মানুষ আর জাগবে না|
So man lieth down, and riseth not: till the heavens be no more, they shall not awake, nor be raised out of their sleep.

13 আমার ইচ্ছা আপনি আমাকে আমার কবরে লুকিয়ে রাখুন| আমার ইচ্ছা, আপনার ক্রোধ প্রশমিত না হওয়া পর্য়ন্ত আপনি আমায় সেই খানে লুকিয়ে রাখুন| তারপর না হয় আমাকে স্মরণ করার জন্য আপনি একটা সময় বের করবেন|
O that thou wouldest hide me in the grave, that thou wouldest keep me secret, until thy wrath be past, that thou wouldest appoint me a set time, and remember me!

14 যদি কোন লোক মারা যায়, সে কি আবার বাঁচবে? যদি তাই সম্ভব হয় আমি আমার মুক্তি পর্য়ন্ত অপেক্ষা করবো|
If a man die, shall he live again? all the days of my appointed time will I wait, till my change come.

15 ঈশ্বর, আপনি আমায় ডাকবেন এবং আমি আপনার ডাকে সাড়া দেবো| তাহলে আমি, যাকে আপনি তৈরী করেছেন, সেই আমি আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠব|
Thou shalt call, and I will answer thee: thou wilt have a desire to the work of thine hands.

16 আমার প্রত্যেকটি পদক্ষেপে আপনি আমায় লক্ষ্য করুন, কিন্তু আমার পাপ মনে রাখবেন না|
For now thou numberest my steps: dost thou not watch over my sin?

17 আমার সমস্ত পাপ আপনি একটা থলেতে ভরে, তার মুখ বন্ধ করে, তাকে দূরে ছুঁড়ে ফেলে দেবেন|
My transgression is sealed up in a bag, and thou sewest up mine iniquity.

18 “পর্বতও ভেঙে যায় এবং ধূলায পরিণত হয়; বড় পাথরও আলগা হয়ে ভেঙে পড়ে|
And surely the mountain falling cometh to nought, and the rock is removed out of his place.

19 তাদের ওপর দিয়ে জলরাশি প্রবাহিত হয়ে তাদের ধুয়ে নিয়ে যায়| বন্যা ভূমির মাটিকে ধুয়ে নিয়ে যায়| সেই ভাবেই হে ঈশ্বর, আপনি এক জন মানুষের আশা এবং ইচ্ছা ধ্বংস করেন|
The waters wear the stones: thou washest away the things which grow out of the dust of the earth; and thou destroyest the hope of man.

20 আপনি তাকে সম্পূর্ণ পরাজিত করেন এবং সে চলে যায়| আপনি তাকে দুঃখী করেন এবং চির দিনের জন্য তাকে মৃত্যুলোকে পাঠিয়ে দেন|
Thou prevailest for ever against him, and he passeth: thou changest his countenance, and sendest him away.

21 তার ছেলেরা হয়ত সম্মান পেতে পারে, অথবা তারা হয়ত গুরুত্বপূর্ণ না হতে পারে, কিন্তু সে কখনও জানতে পারবে না|
His sons come to honour, and he knoweth it not; and they are brought low, but he perceiveth it not of them.

22 সেই লোকটি তার শরীরে কেবল যন্ত্রণা ভোগ করে এবং সে উচ্চস্বরে কেবল নিজের জন্যই কাঁদে|”
But his flesh upon him shall have pain, and his soul within him shall mourn.