এজরা 3
1 যে সমস্ত ইস্রায়েলীয় ফিরে এসেছিল এবং নিজেদের শহরে বসতি স্থাপন করেছিল, তারা সবাই সপ্তম মাসে এক জাতি হিসেবে জেরুশালেমে একত্রিত হল|
2 তারপর য়োষাদকের পাত্র য়েশূয় এবং তাঁর সঙ্গের যাজকগণ, শলটীয়েলের পাত্র সরুব্বাবিল ও তাঁর সঙ্গের লোকরা ইস্রায়েলের ঈশ্বরের জন্য একটি বেদী নির্মাণ করলেন| ঈশ্বরের দাস মোশি য়ে ভাবে বর্ণনা করেছিলেন, বেদীটি সে ভাবেই বানানো হল|
3 যদিও তারা, কাছাকাছি বাস করত এমন অন্য জাতির লোকদের ভয় করত, তবুও তারা য়জ্ঞবেদীটি পুরানো ভিত্তির ওপরই তৈরী করেছিল এবং তার ওপর নৈবেদ্য উত্সর্গ করেছিল| তারা প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় প্রার্থনা করত|
4 এরপর তারা মোশির আদেশ অনাসারে কুটিরপর্ব উত্সব পালন করল| তারা উত্সবের প্রতিটি দিন ঠিং সংখ্যক হোমবলি উত্সর্গ করল|
5 তারপর তারা প্রতিদিন নিত্য হোমবলি উত্সর্গ করা শুরু করল, এবং অমাবস্যার উত্সবের জন্য, অন্যান্য সমস্ত ছুটির দিনের জন্য এবং ঈশ্বরের আদেশকৃত উত্সবের দিনগুলোর জন্য উত্সর্গ করতে লাগল| লোকরা প্রভুকে বিশেষ উপহারগুলোর মধ্যে য়ে কোন উপহার দিতে শুরু করল যা তারা প্রভুকে দিতে চাইত|
6 মন্দির পুননির্মাণ শুরু না হওয়া সত্ত্বেও সপ্তম মাসের প্রথম দিন থেকে ইস্রায়েলের লোকরা প্রভুকে উপহার উত্সর্গ করতে শুরু করল|
7 তারপর তারা পাথর কাটুরে ও ছুতোরদের পয়সা দিল| এবং তারা সোরীয় ও সীদোনীয়দের জাহাজে করে লিবানোন থেকে সমুদ্র তীরবর্ত্তী যাফো নগর পর্য়ন্ত এরস কাঠ আনবার জন্য খাদ্য, দ্রাক্ষারস ও জলপাই তেল দিল| পারস্যের রাজা কোরস তাদের এই সব করবার অনুমতি দিয়েছিলেন|
8 জেরুশালেমে ফিরে আসার পর দ্বিতীয় বছরের দ্বিতীয় মাসে শলটীয়েলের পাত্র সরুব্বাবিল, য়োষাদকের পাত্র য়েশূয ও তাঁদের ভাইরা, যাজকগণ, লেবীয়গণ ও অন্যান্য ব্যক্তিরা য়াঁরা বন্দীদশা থেকে জেরুশালেমে ফিরে এসেছিলেন তাঁরা মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু করলেন| তাঁরা 20 বছর এবং তার চেযে বেশী বযস্ক লেবীয়দের মন্দির নির্মাণের তত্ত্বাবধানের জন্য বেছে নিলেন|
9 য়াঁরা মন্দির নির্মাণ কাজের তত্ত্বাবধান করেছিলেন তাঁরা হলেন: য়েশূয় ও তাঁর পাত্ররা, কদ্মীযেল ও তাঁর পাত্ররা (যিহূদার উত্তরপুরুষ), লেবীয় হেনাদদের পাত্রগণ ও তাঁদের ভাইরা|
10 যখন সহপতিরা প্রভুর মন্দিরের ভিত্তি স্থাপন করলেন, তখন যাজকরা পূর্নপরিচ্ছদ পরে শিঙা বাজালেন: আসফের সন্তানরা তাঁদের খোল কর্তাল নিলেন এবং ইস্রায়েলের রাজা দায়ূদের আদেশানুসারে প্রভুকে প্রশংসা করবার জন্য তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে দাঁড়ালেন|
11 এক সঙ্গে প্রভুর প্রশংসা করতে করতে এবং প্রভুকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁরা গাইলেন, “প্রভু ভালো! তাঁর প্রকৃত প্রেম চির কাল অব্যাহত থাকে|” তারপর সমস্ত লোক একটি বিরাট চিত্কার করে হর্ষধ্বনি করে উঠল এবং তারা প্রভুর প্রশংসা করল কারণ প্রভুর মন্দিরের ভিত্তিস্থাপন হয়ে গেল|
12 তখন আগেকার সুন্দর পুরানো মন্দিরের কথা স্মরণ করে বহু বয়স্ক লোক, যাজক অথবা লেবীয়দের গাল বেযে চোখের জল গড়িযে পড়ল| অন্যরা যখন আনন্দ করছিল ও কোলাহল করছিল তখন তাঁরা কাঁদছিল|
13 সেই আনন্দ ও কোলাহলের ধ্বনি বহুদূর থেকেও শোনা যাচ্ছিল| কিন্তু এত জোরে শব্দ হচ্ছিল য়ে যারা দূর থেকে তা শুনছিল তারা বুঝতে পারছিল না সেটা আনন্দের শব্দ না কান্নার|
1 And when the seventh month was come, and the children of Israel were in the cities, the people gathered themselves together as one man to Jerusalem.
2 Then stood up Jeshua the son of Jozadak, and his brethren the priests, and Zerubbabel the son of Shealtiel, and his brethren, and builded the altar of the God of Israel, to offer burnt offerings thereon, as it is written in the law of Moses the man of God.
3 And they set the altar upon his bases; for fear was upon them because of the people of those countries: and they offered burnt offerings thereon unto the Lord, even burnt offerings morning and evening.
4 They kept also the feast of tabernacles, as it is written, and offered the daily burnt offerings by number, according to the custom, as the duty of every day required;
5 And afterward offered the continual burnt offering, both of the new moons, and of all the set feasts of the Lord that were consecrated, and of every one that willingly offered a freewill offering unto the Lord.
6 From the first day of the seventh month began they to offer burnt offerings unto the Lord. But the foundation of the temple of the Lord was not yet laid.
7 They gave money also unto the masons, and to the carpenters; and meat, and drink, and oil, unto them of Zidon, and to them of Tyre, to bring cedar trees from Lebanon to the sea of Joppa, according to the grant that they had of Cyrus king of Persia.
8 Now in the second year of their coming unto the house of God at Jerusalem, in the second month, began Zerubbabel the son of Shealtiel, and Jeshua the son of Jozadak, and the remnant of their brethren the priests and the Levites, and all they that were come out of the captivity unto Jerusalem; and appointed the Levites, from twenty years old and upward, to set forward the work of the house of the Lord.
9 Then stood Jeshua with his sons and his brethren, Kadmiel and his sons, the sons of Judah, together, to set forward the workmen in the house of God: the sons of Henadad, with their sons and their brethren the Levites.
10 And when the builders laid the foundation of the temple of the Lord, they set the priests in their apparel with trumpets, and the Levites the sons of Asaph with cymbals, to praise the Lord, after the ordinance of David king of Israel.
11 And they sang together by course in praising and giving thanks unto the Lord; because he is good, for his mercy endureth for ever toward Israel. And all the people shouted with a great shout, when they praised the Lord, because the foundation of the house of the Lord was laid.
12 But many of the priests and Levites and chief of the fathers, who were ancient men, that had seen the first house, when the foundation of this house was laid before their eyes, wept with a loud voice; and many shouted aloud for joy:
13 So that the people could not discern the noise of the shout of joy from the noise of the weeping of the people: for the people shouted with a loud shout, and the noise was heard afar off.
Luke 9 in Tamil and English
1 যীশু সেই বারোজন প্রেরিতকে ডেকে তাঁদের সব রকমের ভূত তাড়াবার ক্ষমতা ও নানান রোগ ভাল করার ক্ষমতা দিলেন৷
Then he called his twelve disciples together, and gave them power and authority over all devils, and to cure diseases.
2 এরপর তিনি তাঁদের ঈশ্বরের রাজ্যের বিষয় প্রচার করতে ও রোগীদের সুস্থ করার জন্য পাঠালেন৷
And he sent them to preach the kingdom of God, and to heal the sick.
3 তিনি তাঁদের বললেন, ‘তোমরা যাত্রা পথের জন্য কিছুই নিও না, পথে যাবার জন্য লাঠি, ঝুলি, খাবার বা টাকা পয়সা কিছুই নিও না, এমন কি দুটো জামাও না৷
And he said unto them, Take nothing for your journey, neither staves, nor scrip, neither bread, neither money; neither have two coats apiece.
4 য়ে বাড়িতে তোমরা প্রবেশ করবে, সেই গ্রাম ছেড়ে না যাওযা পর্যন্ত সেই বাড়িতেই থেকো৷
And whatsoever house ye enter into, there abide, and thence depart.
5 য়েখানে লোকেরা তোমাদের স্বাগত জানাবে না সেখানে শহর ছেড়ে অন্যত্র যাবার সময় তাদের বিরুদ্ধে প্রামাণিক সাক্ষ্যস্বরূপ তোমাদের পায়ের ধূলো ঝেড়ে ফেল৷’
And whosoever will not receive you, when ye go out of that city, shake off the very dust from your feet for a testimony against them.
6 তখন তাঁরা গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে য়েতে য়েতে ঈশ্বরের রাজ্যের সুসমাচার প্রচার ও রোগীদের সুস্থ করতে লাগলেন৷
And they departed, and went through the towns, preaching the gospel, and healing every where.
7 সেই সময় য়ে সব ঘটনা ঘটছিল রাজ্যপাল হেরোদ তা শুনে খুবই বিচলিত হয়ে পড়লেন৷ কারণ কেউ কেউ বলছিল, ‘য়োহন আবার বেঁচে উঠেছেন৷’
Now Herod the tetrarch heard of all that was done by him: and he was perplexed, because that it was said of some, that John was risen from the dead;
8 আবার অনেকে বলছিল, ‘এলীয় পুনরায় আবির্ভূত হয়েছেন৷’ কেউ কেউ বলছিল, ‘প্রাচীনকালের, ভাববাদীদের মধ্যে কোন একজন পুনরায় মৃতদের মধ্য থেকে উত্থাপিত হয়েছেন৷’
And of some, that Elias had appeared; and of others, that one of the old prophets was risen again.
9 কিন্তু হেরোদ বললেন, ‘আমি য়োহনের মাথা কেটে ফেলেছি; কিন্তু যার বিষয়ে আমি এসব কথা শুনছি, এ তবে কে?’ আর তিনি যীশুকে দেখবার চেষ্টা করতে লাগলেন৷
And Herod said, John have I beheaded: but who is this, of whom I hear such things? And he desired to see him.
10 প্রেরিতরা ফিরে এসে তাঁরা কি কি করেছেন তা যীশুকে জানালেন৷ তখন যীশু তাঁদের নিয়ে নিভৃতে বৈত্সৈদা নগরে চলে গেলেন৷
And the apostles, when they were returned, told him all that they had done. And he took them, and went aside privately into a desert place belonging to the city called Bethsaida.
11 কিন্তু লোকেরা জানতে পেরে গেল য়ে তিনি কোথায় যাচ্ছেন, আর তারা যীশুর পিছু পিছু চলল৷ যীশুও তাদের সাদরে গ্রহণ করে তাদের কাছে ঈশ্বরের রাজ্যের বিষয়ে বললেন, আর য়ে সব লোকের রোগ-ব্যাধি ভাল হবার প্রযোজন ছিল, তাদের সুস্থ করলেন৷
And the people, when they knew it, followed him: and he received them, and spake unto them of the kingdom of God, and healed them that had need of healing.
12 দিন প্রায় শেষ হয়ে আসছে, এমন সময় সেই বারোজন প্রেরিত যীশুর কাছে ফিরে এসে বললেন, ‘আমরা য়েখানে আছি এটা একটা নির্জন স্থান, তাই এই লোকদের বিদায় দিন য়েন এরা আশপাশের গ্রামে গিয়ে নিজেদের জন্য থাকবার স্থান ও খাবার জোগাড় করে নিতে পারে৷’
And when the day began to wear away, then came the twelve, and said unto him, Send the multitude away, that they may go into the towns and country round about, and lodge, and get victuals: for we are here in a desert place.
13 কিন্তু যীশু তাঁদের বললেন, ‘তোমরাই এদের খেতে দাও৷’কিন্তু তারা বললেন, ‘আমাদের কাছে তো পাঁচখানা রুটি আর দুটো মাছ ছাড়া আর কিছুই নেই৷ আমরা গিয়ে কি এই সব লোকদের জন্য খাবার কিনে আনব?’
But he said unto them, Give ye them to eat. And they said, We have no more but five loaves and two fishes; except we should go and buy meat for all this people.
14 সেখানে পুরুষ মানুষই ছিল প্রায় পাঁচ হাজার৷কিন্তু যীশু তাঁর শিষ্যদের বললেন, ‘ওদেরকে এক এক দলে পঞ্চাশ জন করে বসিয়ে দাও৷’
For they were about five thousand men. And he said to his disciples, Make them sit down by fifties in a company.
15 তাঁরা সেই রকমই করলেন, তাদের সকলকেই বসিয়ে দিলেন৷
And they did so, and made them all sit down.
16 এরপর যীশু সেই পাঁচখানা রুটি ও দুটো মাছ নিয়ে সেগুলোর জন্য স্বর্গের দিকে তাকিয়ে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিলেন৷ পরে তিনি সেগুলোকে টুকরো টুকরো করে তা পরিবেশন করার জন্য শিষ্যদের হাতে দিলেন৷
Then he took the five loaves and the two fishes, and looking up to heaven, he blessed them, and brake, and gave to the disciples to set before the multitude.
17 সকলে বেশ তৃপ্তি করে খেল, বাকি যা পড়ে রইল তা একসঙ্গে জড় করলে বারোটি টুকরি ভরে গেল৷
And they did eat, and were all filled: and there was taken up of fragments that remained to them twelve baskets.
18 একদিন যীশু কোন এক জায়গায় নিভৃতে প্রার্থনা করছিলেন৷ তাঁর শিষ্যরা সেখানে এলে তিনি তাঁদের জিজ্ঞেস করলেন, ‘লোকেরা কি বলে, আমি কে?’
And it came to pass, as he was alone praying, his disciples were with him: and he asked them, saying, Whom say the people that I am?
19 তাঁরা বললেন, ‘কেউ কেউ বলে আপনি বাপ্তিস্মদাতা য়োহন, কেউ বা বলে এলীয়, আবার কেউ কেউ বলে প্রাচীনকালের ভাববাদীদের মধ্যে একজন বেঁচে উঠেছেন৷’
They answering said, John the Baptist; but some say, Elias; and others say, that one of the old prophets is risen again.
20 তিনি তাঁদের বললেন, ‘কিন্তু তোমরা কি বল, আমি কে?’পিতর বললেন, ‘ঈশ্বরের সেই খ্রীষ্ট৷’
He said unto them, But whom say ye that I am? Peter answering said, The Christ of God.
21 তখন তিনি তাঁদের সতর্ক করে দিলেন য়েন একথা তাঁরা কারো কাছে প্রকাশ না করেন৷
And he straitly charged them, and commanded them to tell no man that thing;
22 তিনি আরো বললেন, ‘মানবপুত্রের অনেক দুঃখ ও যাতনা ভোগ করার প্রযোজন আছে; ইহুদী নেতারা, প্রধান যাজকেরা ও ব্যবস্থার শিক্ষকেরা তাঁকে প্রত্যাখ্যান করবে, তারা তাঁকে হত্যা করবে; আর তিন দিনের মাথায় তিনি মৃত্যুলোক থেকে পুনরুত্থিত হবেন৷’
Saying, The Son of man must suffer many things, and be rejected of the elders and chief priests and scribes, and be slain, and be raised the third day.
23 পরে তিনি তাঁদের সকলের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘যদি কেউ আমার সঙ্গে আসতে চায়, তবে সে নিজেকে অস্বীকার করুক; আর প্রতিদিন নিজের ক্রুশ তুলে নিক এবং আমায় অনুসরণ করুক৷
And he said to them all, If any man will come after me, let him deny himself, and take up his cross daily, and follow me.
24 য়ে কেউ নিজের জীবন রক্ষা করতে চায় সে তা হারাবে, কিন্তু য়ে কেউ আমার জন্য নিজের জীবন হারায় সে তা রক্ষা করবে৷
For whosoever will save his life shall lose it: but whosoever will lose his life for my sake, the same shall save it.
25 সমগ্র জগত্ লাভ করে কেউ যদি নিজেকে ধ্বংস করে তবে তার কি লাভ হল?
For what is a man advantaged, if he gain the whole world, and lose himself, or be cast away?
26 যদি কেউ আমার জন্য ও আমার শিক্ষার জন্য লজ্জা বোধ করে, তবে যখন মানবপুত্র নিজ মহিমায় এবং পিতা পবিত্র স্বর্গদূতদের মহিমায় আসবেন তখন তিনিও তার জন্য লজ্জিত হবেন৷
For whosoever shall be ashamed of me and of my words, of him shall the Son of man be ashamed, when he shall come in his own glory, and in his Father’s, and of the holy angels.
27 কিন্তু আমি তোমাদের সত্যি বলছি, এখানে এমন কয়েকজন আছে যাঁরা ঈশ্বরের রাজ্য না দেখা পর্যন্ত মৃত্যুর মুখ দেখবে না৷’
But I tell you of a truth, there be some standing here, which shall not taste of death, till they see the kingdom of God.
28 এইসব কথা বলার প্রায় আট দিন পর, তিনি পিতর, যাকোব ও য়োহনকে নিয়ে প্রার্থনা করার জন্য একটা পর্বতে গেলেন৷
And it came to pass about an eight days after these sayings, he took Peter and John and James, and went up into a mountain to pray.
29 যীশু যখন প্রার্থনা করছিলেন, তখন তাঁর মুখের চেহারা অন্যরকম হয়ে গেল, তাঁর পোশাক আলোক শুভ্র হয়ে উঠল৷
And as he prayed, the fashion of his countenance was altered, and his raiment was white and glistering.
30 দু ব্যক্তি মোশি ও এলীয় মহিমান্বিত হয়ে সেখানে এসে যীশুর সঙ্গে কথা বলতে লাগলেন৷
And, behold, there talked with him two men, which were Moses and Elias:
31 তাঁরা ঈশ্বরের পরিকল্পনা অনুযাযী জেরুশালেমে কিভাবে যীশুর মৃত্যু হবে তাই নিয়ে কথা বলছিলেন৷
Who appeared in glory, and spake of his decease which he should accomplish at Jerusalem.
32 কিন্তু পিতর ও তাঁর অন্য সঙ্গীরা সেই সময় ঢুলতে ঢুলতে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন৷ তাঁরা জেগে উঠে যীশুকে মহিমান্বিত রূপে দেখতে পেলেন, আর ঐ দুই ব্যক্তিকে যীশুর সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন৷
But Peter and they that were with him were heavy with sleep: and when they were awake, they saw his glory, and the two men that stood with him.
33 সেই ব্যক্তিরা যখন যীশুর কাছ থেকে চলে যাচ্ছিলেন, তখন পিতর যীশুকে বললেন, ‘গুরু, ভালোই হয়েছে য়ে আমরা এখানে আছি৷ আমরা এখানে তিনটে কুটীর তৈরী করি, একটা আপনার জন্য, একটা মোশির জন্য আর একটা এলিয়র জন্য৷’ তিনি জানতেন না য়ে তিনি কি বলছিলেন৷
And it came to pass, as they departed from him, Peter said unto Jesus, Master, it is good for us to be here: and let us make three tabernacles; one for thee, and one for Moses, and one for Elias: not knowing what he said.
34 কিন্তু তিনি যখন এইসব কথা বলছিলেন, সেই সময় এক খণ্ড মেঘ এসে তাঁদের ঢেকে ফেলল, মেঘের মধ্যে প্রবেশ করে তাঁরা ভীত হলেন৷
While he thus spake, there came a cloud, and overshadowed them: and they feared as they entered into the cloud.
35 সেই মেঘের মধ্য থেকে এক রব শোনা গেল৷ সেই রব বলল, ‘এই আমার পুত্র, আমার মনোনীত পাত্র, তাঁর কথা শোন৷’
And there came a voice out of the cloud, saying, This is my beloved Son: hear him.
36 সেই রব মিলিয়ে যাবার পরই দেখা গেল কেবল যীশু একা সেখানে রয়েছেন আর শিষ্যরা যা দেখলেন সে বিষয়ে কাউকে কিছু না বলে চুপ করে রইলেন৷
And when the voice was past, Jesus was found alone. And they kept it close, and told no man in those days any of those things which they had seen.
37 পরদিন তাঁরা পর্বত থেকে নেমে এলে বহু লোক যীশুর সঙ্গে দেখা করতে এল,
And it came to pass, that on the next day, when they were come down from the hill, much people met him.
38 আর সেই সময় ঐ ভীড়ের মধ্য থেকে একটি লোক চিত্কার করে বলল, ‘গুরু, আমি আপনাকে মিনতি করছি আপনি আমার এই একমাত্র সন্তানের দিকে একটু দেখুন৷
And, behold, a man of the company cried out, saying, Master, I beseech thee, look upon my son: for he is mine only child.
39 হঠাত্, একটা অশুচি আত্মা তাকে ধরে, আর সে চিত্কার করতে থাকে৷ সেই আত্মা যখন তাকে মুচড়ে ধরে তখন তার মুখ থেকে ফেনা কাটতে থাকে৷ এটা সহজে তাকে ছেড়ে য়েতে চায় না, তাকে একবারে ঝাঁঝরা করে দেয়৷
And, lo, a spirit taketh him, and he suddenly crieth out; and it teareth him that he foameth again, and bruising him hardly departeth from him.
40 আমি আপনার শিষ্যদের কাছে মিনতি করেছিলাম য়েন তাঁরা ঐ অশুচি আত্মাকে তাড়িয়ে দেন, কিন্তু তাঁরা পারলেন না৷’
And I besought thy disciples to cast him out; and they could not.
41 যীশু বললেন, ‘হে অবিশ্বাসী ও পথভ্রষ্ট লোকেরা, আমি আর কতকাল তোমাদের নিয়ে ধৈর্য্য ধরব, কতকালই বা তোমাদের সঙ্গে থাকব?’ যীশু লোকটিকে বললেন, ‘তোমার ছেলেকে এখানে আন৷’
And Jesus answering said, O faithless and perverse generation, how long shall I be with you, and suffer you? Bring thy son hither.
42 ছেলেটা যখন আসছিল, তখন সেই ভূত তাকে আছাড় মারল আর তাতে সে প্রবলভাবে হাত-পা ছোঁড়াছুঁড়ি করতে লাগল৷ যীশু সেই অশুচি আত্মাকে ধমক দিলেন৷ তারপর ছেলেটিকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তার বাবার কাছে ফেরত্ দিলেন৷
And as he was yet a coming, the devil threw him down, and tare him. And Jesus rebuked the unclean spirit, and healed the child, and delivered him again to his father.
43 ঈশ্বর য়ে কত মহান তা দেখে লোকেরা অবাক হয়ে গেল৷যীশু যা করলেন তা দেখে লোকেরা আশ্চর্য হচ্ছিল, তখন যীশু তাঁর শিষ্যদের বললেন,
And they were all amazed at the mighty power of God. But while they wondered every one at all things which Jesus did, he said unto his disciples,
44 ‘আমি তোমাদের যা বলছি তা মন দিয়ে শোন, শীঘ্রই মানবপুত্রকে মানুষের হাতে সঁপে দেওযা হবে৷’
Let these sayings sink down into your ears: for the Son of man shall be delivered into the hands of men.
45 কিন্তু এ কথার অর্থ কি শিষ্যরা তা বুঝতে পারলেন না৷ এটা তাঁদের কাছে গুপ্ত রয়ে গেল, তাই তাঁরা এর কিছুই উপলদ্ধি করতে পারলেন না৷
But they understood not this saying, and it was hid from them, that they perceived it not: and they feared to ask him of that saying.
46 সেই সময়ই তাঁদের মধ্যে এই বিতর্কের সূত্রপাত হল য়ে কে তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ৷
Then there arose a reasoning among them, which of them should be greatest.
47 কিন্তু যীশু তাঁদের মনোভাব বুঝতে পেরে একটি শিশুকে এনে নিজের পাশে দাঁড় করালেন৷
And Jesus, perceiving the thought of their heart, took a child, and set him by him,
48 তিনি তাঁদের বললেন, ‘য়ে কেউ আমার নামে এই শিশুকে সাদরে গ্রহণ করে, সে আমাকেই গ্রহণ করে; আর য়ে আমাকে সাদরে গ্রহণ করে, সে আমাকে যিনি পাঠিয়েছেন তাঁকেই গ্রহণ করে৷ তোমাদের মধ্যে য়ে সবচেয়ে ছোট, সেই শ্রেষ্ঠ৷’
And said unto them, Whosoever shall receive this child in my name receiveth me: and whosoever shall receive me receiveth him that sent me: for he that is least among you all, the same shall be great.
49 য়োহন বললেন, ‘প্রভু আমরা আপনার নামে একজনকে ভূত তাড়াতে দেখেছি৷ সে আমাদের সঙ্গী নয় বলে আমরা তাকে বারণ করেছি৷’
And John answered and said, Master, we saw one casting out devils in thy name; and we forbad him, because he followeth not with us.
50 কিন্তু যীশু তাঁকে বললেন, ‘তাকে বারণ কোর না, কারণ য়ে তোমাদের বিপক্ষ নয়, সে তোমাদের সপক্ষ৷’
And Jesus said unto him, Forbid him not: for he that is not against us is for us.
51 যীশুর স্বর্গে যাবার সময় হয়ে এলে তিনি স্থির চিত্তে জেরুশালেমের দিকে এগিয়ে চললেন৷
And it came to pass, when the time was come that he should be received up, he stedfastly set his face to go to Jerusalem,
52 তিনি তাঁর পৌঁছাবার আগেই সেখানে কিছু বার্তবাহক পাঠালেন৷ তাঁরা গিয়ে শমরীয়দের এক গ্রামে উঠলেন, য়েন যীশুর জন্য সব কিছু ব্যবস্থা করতে পারেন৷
And sent messengers before his face: and they went, and entered into a village of the Samaritans, to make ready for him.
53 কিন্তু যীশু জেরুশালেমে যাবেন বলে স্থির করায় শমরীয়রা তাঁকে গ্রহণ করল না৷
And they did not receive him, because his face was as though he would go to Jerusalem.
54 যীশুর অনুগামী যাকোব ও য়োহন এই দেখে বললেন, ‘প্রভু, আপনি কি চান য়ে এদের ধ্বংস করার জন্য আমরা আকাশ থেকে আগুন নামিয়ে আনি?’
And when his disciples James and John saw this, they said, Lord, wilt thou that we command fire to come down from heaven, and consume them, even as Elias did?
55 কিন্তু যীশু ফিরে দাঁড়িয়ে তাদের ধমক দিলেন৷
But he turned, and rebuked them, and said, Ye know not what manner of spirit ye are of.
56 তখন তাঁরা অন্য গ্রামে গেলেন৷
For the Son of man is not come to destroy men’s lives, but to save them. And they went to another village.
57 তাঁরা যখন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছেন, সেই সময় একজন লোক যীশুকে বলল, ‘আপনি য়েখানেই যান না কেন আমিও আপনার সঙ্গে যাব৷’
And it came to pass, that, as they went in the way, a certain man said unto him, Lord, I will follow thee whithersoever thou goest.
58 যীশু তাকে বললেন, ‘শেযালের গর্ত আছে, আকাশের পাখিদেরও বাসা আছে, কিন্তু মানবপুত্রের কোথাও মাথা রাখার ঠাঁই নেই৷’
And Jesus said unto him, Foxes have holes, and birds of the air have nests; but the Son of man hath not where to lay his head.
59 আর একজনকে তিনি বললেন, ‘আমায় অনুসরণ কর৷’ কিন্তু সেই লোকটি বলল, ‘আগে গিয়ে আমার বাবাকে কবর দিয়ে আসতে দিন৷’
And he said unto another, Follow me. But he said, Lord, suffer me first to go and bury my father.
60 কিন্তু যীশু তাকে বললেন, ‘মৃতরাই তাদের মৃতদের কবর দেবে৷ তুমি গিয়ে বরং ঈশ্বরের রাজ্যের বিষয় ঘোষণা কর৷’
Jesus said unto him, Let the dead bury their dead: but go thou and preach the kingdom of God.
61 আর একজন লোক বলল, ‘প্রভু, আমি আপনার অনুসারী হব: কিন্তু প্রথমে আমার বাড়ির সকলকে বিদায় জানিয়ে আসতে দিন৷’
And another also said, Lord, I will follow thee; but let me first go bid them farewell, which are at home at my house.
62 কিন্তু যীশু তাকে বললেন, ‘লাঙ্গলে হাত রেখে য়ে পেছন ফিরে তাকায়, সে ঈশ্বরের রাজ্যের য়োগ্য নয়৷’
And Jesus said unto him, No man, having put his hand to the plough, and looking back, is fit for the kingdom of God.